মশার লার্ভা খুঁজতে খুলনা ওয়াসার ম্যানহোল পরীক্ষা শুরু, প্রথম দিনে পাওয়া যায়নি কিছুই

নিজস্ব প্রতিবেদক

গত কয়েকদিন ধরে খুলনা ওয়াসার নির্মাণাধীন ম্যানহোল ও পাইপলাইনে এডিস মশার বংশ বিস্তার ঘটছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা চলছে। কয়েকটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশও হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে বুধবার নির্মাণাধীন ম্যানহোলগুলোতে যৌথ পরীক্ষা চালায় খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) ও ওয়াসা। প্রথম দিনে নগরীর হাজী মহসিন রোড, দিলখোলাসহ বিভিন্ন এলাকার ১২টি ম্যানহোলের পানি পরীক্ষা করা হয়। একটিতেও মশার লার্ভা পাওয়া যায়নি।

খুলনা ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খান সেলিম আহমদ জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে ম্যানহোল ও পাইপলাইনে এডিস মশার বংশ বিস্তার ঘটছে বলে অভিযোগ উত্থাপন করা হচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানসহ উভয় সংস্থার কর্মকর্তারা যৌথভাবে ম্যানহোলগুলি পর্যবেক্ষণে বের হন। প্রথম দিনে ১২টি ম্যানহোল পরীক্ষা করে কোথাও মশার লার্ভা পাওয়া যায়নি। উল্টো বেশিরভাগই পানি মান ভালো পাওয়া গেছে। তারপরও ম্যানহোলে মশা মারার লার্ভিসাইট দেওয়া হয়েছে। এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, দেশে যে কয়টি শহরে ডেঙ্গু জ্বরের ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে তার মধ্যে খুলনাও রয়েছে। ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে কেসিসি গত মে মাসের শুরু থেকে সর্বশক্তি নিয়োজিত করে কাজ করছে। মশার লার্ভা ও উড়ন্ত মশা নিধনে নগর জুড়ে ঔষধ স্প্রে করার পাশাপাশি ঝোপঝাড় ও কচুরিপানা অপসারণ, ড্রেনের পেড়িমাটি উত্তোলন, জলাবদ্ধ পানি অপসারণসহ জনগণকে সচেতন করার জন্য লিফলেট বিতরণ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার ব্যবস্থা করা হয়। সর্বশেষ বিদ্যমান জনবলের পাশাপাশি শুধুমাত্র ঔষধ স্প্রে করার কাজে প্রতি ওয়ার্ডে অতিরিক্ত পাঁচজন করে লোক নিযুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সন্দেহ দূর করতে বুধবার থেকে নগরীতে বিদ্যমান ১৮ হাজার ম্যানহোলে মশার লার্ভা ও উড়ন্ত মশা নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করা হয়েছে। প্রশাসক বাড়ির আঙ্গিনা ও প্রতিষ্ঠানসমূহের সীমানার মধ্যে নিজ উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন রাখতে সকলের প্রতি আহবান জানান এবং এ কাজে সিটি কর্পোরেশন পাশে থাকবে বলে উল্লেখ করেন।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন